পরিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৫ লাখ বৃক্ষরোপণের ঘোষণার মধ্যেই টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে ব্যাপক বৃক্ষনিধন ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দোখলা রেঞ্জের সদর বিট, চুনিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ফেকামারি ও জামবাইদ এলাকায় প্রায় পাঁচ বিঘা বনভূমির শত শত পুরোনো শাল ও গজারি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। গাছ কাটার পর এসব জমি দখল করে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করা হচ্ছে বলেও তারা জানান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে গাছ কাটা হচ্ছে। অরণখোলা বিটে বনভূমি দখল করে স্থায়ী পাকা ইমারত নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে। পরিবেশবিদদের মতে, প্রাকৃতিক শালবন বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল, মাটির গুণাগুণ রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। পুরোনো শাল-গজারি কেটে ফেললে বনের স্বাভাবিক পুনর্জন্ম ব্যাহত হতে পারে এবং কৃষিকাজ সম্প্রসারণে প্রাকৃতিক বন আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিবেশকর্মী রাতুল মুন্সি বলেন, জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সামাজিক আন্দোলন ও জনসচেতনতা ছাড়া বন রক্ষা সম্ভব নয়। দোখলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আমিনুর রহমান জামবাইদ এলাকার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। বিট কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, তারা বিষয়টি জানেন এবং ব্যবস্থা নিচ্ছেন। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নাজমুল আলম জানান, রেঞ্জ কর্মকর্তাকে সরানো হয়েছে এবং তথ্য ও ছবি পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃক্ষনিধন ও জমি দখলের অভিযোগে ঝুঁকিতে মধুপুরের প্রাকৃতিক শালবন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।