১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী মধ্যে রাজনৈতিক দূরত্ব ক্রমেই বাড়ছে। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে শুরুতে সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদ, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ স্বীকৃতি নিয়ে দুই দলের মধ্যে মতবিরোধ তীব্র হয়েছে। সংসদীয় বিরোধ রাজপথে গড়িয়েছে, বিরোধী দল জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ ও গণমিছিলসহ নানা কর্মসূচি শুরু করেছে।
সরকারি দলের এমপিরা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় বিরোধী দল ক্ষুব্ধ হয় এবং সরকার গঠনের শপথ অনুষ্ঠান বর্জন করে। অধ্যাদেশ পাসে বিশেষ কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করায় বিরোধী দল একাধিকবার সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে। জামায়াত নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ তুলেছেন, তবে সরকারি পক্ষ বলছে, এসব বিষয় সংসদীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই অবিশ্বাস ও বিরোধ অব্যাহত থাকলে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী জাতীয় ঐক্য ভেঙে পড়তে পারে।
তারা দুই পক্ষকেই আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংঘাত বাড়লে জনগণের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা ব্যাহত হবে।
জুলাই সনদ ও অধ্যাদেশ ইস্যুতে বিএনপি-জামায়াতের বিরোধ তীব্র হচ্ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।