রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে সৎ মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণের দায়ে জামাল নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার দুপুরে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেন এবং ওই অর্থ ভিকটিমকে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
মামলার বিবরণ ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৪ ডিসেম্বর স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ঘরে একা পেয়ে জামাল তার সৎ মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে কিশোরী ভিকটিম গর্ভবতী হয়ে পড়েন এবং শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে তার মা বিষয়টি জানতে পারেন। ২০২৪ সালে ভিকটিমের মা কামরাঙ্গীরচর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুল মজিদ বলেন, সাক্ষ্য, জেরা, মেডিকেল রিপোর্ট ও ডিএনএ পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হয়েছে। বিচারকালে ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় ভিকটিমের গর্ভের সন্তানের জৈবিক পিতা জামাল প্রমাণিত হয়। জরিমানা না দিলে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থ আদায়ের নির্দেশ রয়েছে; আসামিপক্ষ সাত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে।
সৎ মেয়েকে ধর্ষণের মামলায় জামালের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।