বাংলাদেশের বিভিন্ন গবেষণায় দেশি মাছ, সয়াবিন তেল, দুধ, চিনি ও টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে, যা খাদ্যনিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় আড়িয়ল বিলের পাঁচ ধরনের দেশি মাছে এসব কণা পাওয়া যায়; কই মাছে উপস্থিতি ছিল সর্বোচ্চ। গবেষকেরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ঝুঁকি নিরূপণ ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিয়েছেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বিইউপির যৌথ গবেষণায় খোলা সয়াবিন তেলে প্রতি লিটারে ৪৫ থেকে ৭০ হাজার এবং বোতলজাত তেলে ৪৪ থেকে ৫৪ হাজার কণা পাওয়া গেছে। প্যাকেটজাত দুধের প্রতি ১০ মিলিলিটারে গড়ে ১৫৬টি ও কাঁচা দুধে প্রায় ৯৩টি কণা শনাক্ত হয়। ঢাকার চিনির নমুনার ৯৫ শতাংশেও মাইক্রোপ্লাস্টিক মিলেছে। গবেষকেরা প্লাস্টিক মোড়ক, কারখানার যন্ত্রাংশের ঘর্ষণ, গ্লাভস ও পরিবেশদূষণকে উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিএসটিআই জানিয়েছে, টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নেই; তবে বাজার থেকে নমুনা নিয়ে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্যাব খাদ্যমান তদারকি সংস্থার গাফিলতি খতিয়ে দেখা এবং দূষিত পণ্য প্রত্যাহারের দাবি করেছে। বিশেষজ্ঞরা প্যাকেজিং, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ এবং মানবদেহে প্রভাব নিয়ে বিস্তৃত গবেষণার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশে মাছ, তেল, দুধ, চিনি ও টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।