জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে চলতি আমন মৌসুমে কিছু ডিলার ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। ২২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্যাপ্ত সরবরাহের দাবি থাকা সত্ত্বেও ৫০ কেজির প্রতি বস্তায় ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে লোকসানের আশঙ্কা করছেন চাষিরা।
সরকার নির্ধারিত দরে ইউরিয়া ও টিএসপির বস্তা ১ হাজার ৩৫০ টাকা, এমওপি ১ হাজার টাকা এবং ডিএপি ১ হাজার ৫০ টাকা হওয়ার কথা। কৃষকদের অভিযোগ, ইউরিয়া ১ হাজার ৯০০ থেকে ১ হাজার ৯৫০, টিএসপি ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার, ডিএপি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ এবং এমওপি প্রায় ১ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দোকানে টাঙানো মূল্যতালিকার সঙ্গে বাস্তব বিক্রয়মূল্যের মিল নেই বলেও তারা জানান।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, ক্ষেতলালে ১০ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে এবং প্রায় ৯৭ শতাংশ জমিতে চারা রোপণ শেষ হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহার ও আলু মৌসুমের আগাম মজুতের চেষ্টায় সাময়িক চাপ তৈরি হতে পারে।
আমন মৌসুমে ক্ষেতলালে বাড়তি দামে সার বিক্রি ও রসিদ না দেওয়ার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।