জুলাই বিপ্লবের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিহত পাঁচ সাংবাদিকের পরিবার দুই বছর পরও বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তাদের অভিযোগ, হত্যা মামলার তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই এবং অনেক আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে। পরিবারগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, কেউ আত্মগোপনে থেকে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন, আবার কেউ সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। ওই সময় গুলিতে পাঁচ সাংবাদিক নিহত এবং তিন শতাধিক সাংবাদিক আহত হন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক শাকিল হোসেন পারভেজ ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরা এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। একই দিন যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা টাইমসের সিনিয়র রিপোর্টার হাসান মেহেদী গুলিবিদ্ধ হন; প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুলিশের একটি এপিসি থেকে ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন এবং হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার স্ত্রী ফারহানা ইসলাম পপি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
তাহির জামান প্রিয় ১৯ জুলাই সায়েন্স ল্যাব এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন এবং পরদিন তার মরদেহ শনাক্ত হয়। নয়া দিগন্তের সিলেট ব্যুরো প্রধান এটিএম তুরাবও ১৯ জুলাই সিলেটের কোর্ট পয়েন্টে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ৫ আগস্ট নিহত হন দৈনিক লোকালয়ের স্টাফ রিপোর্টার সোহেল আখঞ্জি। স্বজনরা দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার, দায়ী নির্দেশদাতা ও বাস্তবায়নকারীদের বিচার, প্রশাসনিক সংস্কার এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা দাবি করেছেন।
জুলাই বিপ্লবে নিহত পাঁচ সাংবাদিকের পরিবার দুই বছর পরও দ্রুত বিচার চাইছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।