বাংলাদেশে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানি দ্রুত বাড়ায় দেশি স্পিনিং মিলগুলোর বড় অংশের উৎপাদন সক্ষমতা অব্যবহৃত থাকছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা। কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে এ ধরনের সুতা আমদানি ছিল ৩৫ কোটি ৮ লাখ কেজি, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেড়ে ৬৯ কোটি ৭১ লাখ কেজি হয়েছে। ওই অর্থবছরে আমদানি করা সুতার মূল্য ছিল প্রায় ২৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের মতে, এসব সুতার বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত আমদানি বন্ধের জন্য নয়; বরং ব্যাংক গ্যারান্টি, রপ্তানির প্রমাণ ও যাচাইযোগ্য হিসাবের আওতায় আনার উদ্যোগ। নির্ধারিত শর্তে ওয়্যারহাউস লাইসেন্সধারী রপ্তানিকারকেরা আমদানি করতে পারবেন। তবে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএর মতভেদের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধান্তটি স্থগিত করেছে।
শিল্পসংশ্লিষ্টদের দাবি, বন্ধ ও অর্ধবন্ধ টেক্সটাইল কারখানা চালু করা গেলে প্রায় ১৫ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে এবং বছরে প্রায় ১.৬ বিলিয়ন ডলারের আমদানি ব্যয় কমতে পারে। তাদের মতে, আমদানি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয়, মান, প্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়ন জরুরি।
সুতা আমদানি বৃদ্ধিতে দেশি স্পিনিং মিলের ওপর চাপ বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।