আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশ নিতে প্রায় পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত দলটি একক প্রার্থী বাছাই করছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণামতে আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকায় এ স্তরকে কেন্দ্র করে তাদের তৎপরতা বেশি। দলটির দাবি, দেশের প্রায় সব ইউনিয়নে ইতোমধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
জামায়াত বলছে, দলীয় আনুগত্য, সততা, সাংগঠনিক দক্ষতা, স্থানীয় জনপ্রিয়তা ও পরীক্ষিত দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। প্রার্থীরা সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন এবং নারী প্রার্থীও নিশ্চিত করা হচ্ছে। সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রার্থী জেলা ও উপজেলা দায়িত্বশীলরা, উপজেলা ও পৌরসভার প্রার্থী আঞ্চলিক দায়িত্বশীলরা এবং সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য প্রার্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ চূড়ান্ত করে।
সুষ্ঠু ভোট নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়ে দলটি বলেছে, ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কায় কেন্দ্রভিত্তিক পোলিং এজেন্ট ও জনশক্তিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তারা বিভিন্ন অভিযোগ ও দাবি তুলেছে। গত ১ সেপ্টেম্বর এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদধারী ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত প্রশাসকদের অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানায় জামায়াত।
স্থানীয় নির্বাচনে প্রস্তুতি জোরদার করে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা জানিয়েছে জামায়াত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।