ইরানের মিত্র হুথিরা ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েক হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যার মধ্যে কৌশলগত দ্বীপ, লোহিত সাগরের দীর্ঘ উপকূল এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মান্দাব রয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য পরিবহনে নতুন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহান্তে মাসকাটে মার্কিন দূতাবাসে বৈঠকে হুথি প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের জানায়, তারা লোহিত সাগরে মার্কিন জাহাজে হামলা করবে না; তবে সৌদি আরব-সংশ্লিষ্ট জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
হুথিদের এ আশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, কারণ অতীতে গোষ্ঠীটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং ইরানের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থান রয়েছে। অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত সপ্তাহে দুইবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের অনুরোধ করেন, কিন্তু ট্রাম্প তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরে জরুরি সমন্বয়ের জন্য মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডপ্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার রিয়াদ সফর করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে ওয়াশিংটন ইয়েমেনে সরাসরি জড়াতে চাইছে না এবং হুথিদের নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়া ছাড়া বিকল্পও সীমিত। পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের প্রথম চার মাসে ৩৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে, যার ২২ বিলিয়ন ডলার গোলাবারুদে। নতুন সংঘাত শুরু হলে সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে, বিশেষত নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে।
বাব আল-মান্দাবে হুথি নিয়ন্ত্রণে নৌঝুঁকি বাড়লেও নতুন যুদ্ধে যেতে অনিচ্ছুক ওয়াশিংটন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।