Web Analytics

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও জীবন বীমা করপোরেশনের সমন্বয়হীনতায় মৃত, অঙ্গহানির শিকার ও দেশে ফেরা প্রায় এক হাজার প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের প্রায় ৫৬ কোটি টাকার বীমা দাবি চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বকেয়া রয়েছে। বোর্ড ও জীবন বীমা করপোরেশন পরস্পরকে দায়ী করলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দীর্ঘ অপেক্ষায় আছে। মাদারীপুরের লিটন মিয়া সৌদি আরবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে মারা গেলেও তাঁর পরিবার বীমার অর্থ পায়নি। কুয়েতে মারা যাওয়া কেরানীগঞ্জের জামাল মিয়ার পরিবারও ১০ লাখ টাকা পায়নি।

২০১৮ সালের আইনের অধীনে প্রবাসীদের জন্য বাধ্যতামূলক বীমা চালু হয় এবং ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে জীবন বীমা করপোরেশনের সঙ্গে চুক্তি হয়, যা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নবায়ন করা হয়। ১৮ থেকে ৫৫ বছর বয়সি বিদেশগামী কর্মীদের পাঁচ বছর মেয়াদি পলিসির জন্য এককালীন এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দিতে হয়। ২০১৯ থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত ৫৭ লাখ ৭৩ হাজার ৬২ কর্মী কর্মসূচির আওতায় আসেন এবং বোর্ড ৪৮৮ কোটি ৫২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৪০ টাকা প্রিমিয়াম পরিশোধ করেছে। এপ্রিল পর্যন্ত দাবি নিষ্পত্তির হার ছিল ৫৬ দশমিক ১১ শতাংশ।

জীবন বীমা করপোরেশন বলছে, বোর্ডের নতুন এমআইএস সফটওয়্যার তাদের ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত না হওয়ায় নথির ব্যাকলগ তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, বোর্ডের কাছে ২২ কোটির বেশি টাকা প্রিমিয়াম বকেয়া রয়েছে। গত ১ জুলাই উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় সংকট নিরসনে কয়েকটি সিদ্ধান্ত হয়। উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সফটওয়্যার জটিলতা সমাধান ও দ্রুত বীমার অর্থ পরিশোধের আশা প্রকাশ করেছেন।

03 Aug 26 1NOJOR.COM

সমন্বয়হীনতায় প্রায় এক হাজার প্রবাসী কর্মী ও পরিবারের ৫৬ কোটি টাকার দাবি বকেয়া

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।