বিদেশে চামড়া ও পোশাক রপ্তানির প্রণোদনা আটকে আছে তহবিল সংকটে। রাজস্ব আয় কমছে। এই সংকটকালে আইএমএফের ঋণের কিস্তি মিলছে না জুনের আগে। সরকারের আয় সীমিত, বিদ্যুৎ, সার, খাদ্য ও এলএনজি খাতে ভর্তুকির ফলে বাড়তি অর্থ গুণতে হচ্ছে। বৈদেশিক ঋণ ও সুদের পরিমাণও বেড়েছে। ফলত টালমাটাল অবস্থা। অর্থ উপদেষ্টা বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন ও ফিলিস্তিনি-ইসরাইল যুদ্ধের সাথে অভ্যন্তরীণ সংকট, দুই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি, বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমা, মুদ্রা বিনিময় হার বেড়ে যাওয়া; সব মিলিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে! আইএমএফ ভর্তুকি কমানোর শর্তে ঋণ দিতে চায়, তবে সরকার এতে নারাজ!
জুনের আগে মিলছে না ঋণ, নতুন চাপের মুখে অর্থনীতি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।