আমার দেশ-এ ৯ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক মতামতধর্মী লেখায় এ এইচ এম ফারুক পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন। লেখক দাবি করেন, অঞ্চলটির সংকটকে শুধু স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বা জাতিগত অসন্তোষ হিসেবে না দেখে রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক, সামাজিক, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মাত্রায় সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করা দরকার। তাঁর মতে, রাষ্ট্রের নীতি দীর্ঘদিন ধরে ঘটনানির্ভর, প্রতিক্রিয়াশীল ও খণ্ডিত রয়ে গেছে।
লেখাটিতে ব্রিটিশ আমলের প্রশাসনিক কাঠামো, কাপ্তাই বাঁধে বাস্তুচ্যুতি, স্বাধীনতার পর সশস্ত্র সংঘাত এবং ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি নিয়ে বিতর্ক আলোচনা করা হয়েছে। লেখক বলেন, চুক্তিটি অস্ত্রবিরতি, শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তন ও আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান গঠনের সুযোগ তৈরি করলেও প্রতিনিধিত্ব, ভূমি, প্রশাসন ও সাংবিধানিক সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। তিনি পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় জনগোষ্ঠীর অধিকার, সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও নিরাপত্তার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার পক্ষে মত দেন।
লেখক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও অবৈধ অস্ত্রের অভিযোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব অপরাধের দায় পুরো পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর চাপানো উচিত নয়। তিনি সরকারপ্রধানের তত্ত্বাবধানে একটি জাতীয় পার্বত্য চট্টগ্রাম কৌশল পরিষদ গঠন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ভূমি বিরোধের স্বচ্ছ নিষ্পত্তি, তথ্যভিত্তিক কূটনীতি ও রাজনৈতিক সংলাপের প্রস্তাব করেছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামে সমন্বিত জাতীয় কৌশল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধানের আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।