গ্রীষ্মে নাব্য সংকট ও বর্ষায় ভয়াবহ ভাঙনে রংপুরের গঙ্গাচড়ার তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন। বিস্তীর্ণ এলাকা দীর্ঘদিন ধরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নদী শুকিয়ে বালুচরে পরিণত হয়, আর বর্ষায় তা ভয়াবহ বন্যা ও ভাঙনে রূপ নেয়। এতে ঘরবাড়ি, স্কুল, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বহু পরিবার বসতভিটা ও জীবিকা হারিয়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
আনন্দবাজার, বাগডহরা, মটুকপুর, বিনবিনা, ইচলি, শংকরদহ ও কাশিয়াবাড়ি এলাকার মানুষ জানান, নদীতে পানি না থাকায় নৌযান চলাচল বন্ধ, মাছের উৎপাদন কমে গেছে এবং কৃষকরা সেচের সংকটে পড়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বারবার বরাদ্দ এলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। তারা মিনার বাজার থেকে মহিপুর পর্যন্ত একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার জানান, প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী তিস্তা সমস্যাকে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবিকার কেন্দ্রীয় সংকট হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিস্তার ভাঙন ও নাব্য সংকটে গঙ্গাচড়ায় বাস্তুচ্যুত হচ্ছে হাজারো মানুষ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।