নেপাল সরকার নতুন এক রুপির মুদ্রায় ‘বৃহত্তর নেপাল’-এর রাজনৈতিক মানচিত্র বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নেপাল রাষ্ট্র ব্যাংক শনিবার জানায়, মুদ্রাটির আকার ও ধাতব উপাদান বদলালেও তাতে লিম্পিয়াধুরা, লিপুলেখ ও কালাপানিকে নেপালের অংশ দেখানো আগের মানচিত্রই থাকবে। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধের কেন্দ্রে থাকা এই তিন অঞ্চল ভারতেরও দাবিকৃত।
গত ২০ জুলাই বালেন্দ্র সরকার ওই মানচিত্র বাদ দিয়ে মুস্তাং জেলার মারং গ্রামের ঐতিহাসিক লো ঘিয়াকার মঠের ছবি মুদ্রায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছিল। সরকার তখন একে নিয়মিত মুদ্রা সংস্কার বললেও অনেকের কাছে এটি ভারত-নেপাল সম্পর্ক উন্নয়নের কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। তবে বিরোধী দল ও জনমতের তীব্র সমালোচনার পর সরকার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।
সীমান্ত বিরোধটি ভারত-নেপাল-চীন ত্রিসংযোগের কাছে প্রায় ৩৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে ঘিরে। ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তির ভিন্ন ব্যাখ্যা এ বিরোধের মূল উৎস। নেপাল মহাকালী নদীর উৎপত্তি লিম্পিয়াধুরা থেকে বলে দাবি করে, আর ভারত নদীটির উৎস কালাপানির কাছের একটি ঝরনা বলে জানায়। এনআরবির মুখপাত্র গুরু প্রসাদ পাউডেল বলেন, নতুন নকশা হাতে না এলেও ব্যাংক নিশ্চিত যে আগের মানচিত্রই বহাল থাকবে এবং নতুন মুদ্রা আকারে ছোট ও ওজনে হালকা হবে।
নেপাল নতুন এক রুপির মুদ্রায় বিতর্কিত বৃহত্তর নেপাল মানচিত্র বহাল রাখছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।