২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসারান এলাকায় হামলার পর আরোপিত নিরাপত্তা বিধিনিষেধে ভারত-শাসিত কাশ্মীরের পর্যটননির্ভর মানুষের আয় ব্যাপকভাবে কমেছে। কিছু পর্যটনকেন্দ্র ধীরে ধীরে খুললেও বহু জনপ্রিয় পাহাড়ি এলাকা ও ট্রেকিং রুট এখনো বন্ধ বা সীমিত ব্যবহারের আওতায় রয়েছে। এতে মে থেকে আগস্টের প্রধান পর্যটন মৌসুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দোকানি, ট্রেকিং গাইড, গাড়িচালক, ঘোড়ার মালিক, ছোট হোটেল ও খাবারের দোকান পরিচালনাকারীরা জানান, পর্যটকদের চলাচল সীমিত হওয়ায় তাদের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গন্দরবালের নারানাগ গ্রামের দোকানি ও গাইড গুলাম কাদির জাগিলের দাবি, গত এক বছরে তার প্রায় ৬ লাখ রুপি ক্ষতি হয়েছে। ক্লিফহ্যাঙ্গার্স ইন্ডিয়ার সহ-মালিক মোহাম্মদ আদিল লাঙ্গুর ভাষ্য, বিধিনিষেধে তাদের প্রায় ২ কোটি রুপির বার্ষিক ব্যবসা কার্যত শূন্যে নেমেছে।
২০২৫-২৬ সালের জম্মু ও কাশ্মীর অর্থনৈতিক জরিপ অনুযায়ী, পর্যটন অঞ্চলটির মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৭ শতাংশের সঙ্গে যুক্ত এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৫ লাখ মানুষের জীবিকার সঙ্গে সম্পর্কিত। গন্দরবালের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাটিন কিশোর বলেছেন, নিরাপত্তার কারণে কিছু এলাকা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি নথিতে ২০২৫ সালে পর্যটক কমার কথা বলা হলেও পরে পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা গেছে।
নিরাপত্তা বিধিনিষেধে কাশ্মীরের পর্যটননির্ভর মানুষের আয় ও ব্যবসা কমেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।