যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ইরানে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি ও পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সমুদ্র ও আকাশপথের কয়েকটি রুট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে এবং শিপিং কোম্পানিগুলো বিকল্প রুটে ঘুরে চলাচল করছে। সী-লেড শিপিং চীন-বাংলাদেশ রুটে ৪০ ফুট কনটেইনারে ২০০ থেকে ৩০০ মার্কিন ডলার ভাড়া বাড়িয়েছে, অন্য কোম্পানিগুলোও একই পথে হাঁটছে। শিগগিরই যুদ্ধ মাশুল কার্যকর করার ঘোষণা আসবে, যা বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ আমদানি-রপ্তানি খাতে বড় প্রভাব ফেলবে।
ইরান নিয়ন্ত্রিত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ১৪০টি মাদার ভ্যাসেল সাড়ে তিন লাখ কনটেইনার নিয়ে আটকে আছে। শিপিং কোম্পানিগুলো এখন আফ্রিকার কেপ অফ গুড হোপ প্রণালি ব্যবহার করছে, এতে সময় ১২–১৫ দিন বাড়ছে এবং ব্যয় অন্তত ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এয়ার ফ্রেইটেও প্রতি কেজিতে ৩ থেকে সাড়ে ৩ ডলার পর্যন্ত ভাড়া বেড়েছে, নিরাপত্তার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে কার্গো পরিবহন বন্ধ রয়েছে।
ফলে রপ্তানি ব্যয় দ্রুত বাড়ছে এবং তৈরি পোশাক শিল্প নতুন সংকটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইরান সংঘাতে রুট বন্ধ, ভাড়া বেড়ে বাংলাদেশ রপ্তানি খাতে সংকট
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।