আসন্ন পবিত্র মাহে রমজান সামনে রেখে বাংলাদেশে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা ও খেজুরের আমদানি এবং ঋণপত্র খোলার পরিমাণ বেড়েছে। সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে সভায় পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত, মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানি ও শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা নিরসন নিয়ে আলোচনা হয়।
চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে ৮ লাখ ২৩ হাজার মেট্রিক টন, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার টন বেশি। চিনি আমদানি ১ লাখ ৫৩ হাজার টন বেড়ে ৬ লাখ ৮৭ হাজার টনে পৌঁছেছে। ছোলা আমদানি ১২ হাজার টন থেকে বেড়ে ৮২ হাজার টন হয়েছে এবং মসুর ডাল আমদানি ৬৪ হাজার টন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার টনে। খেজুর আমদানি হয়েছে ১১ হাজার টন।
গত এক মাসে খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ব্রয়লার মুরগির দাম ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ কমেছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল ও চিনির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সভায় খেজুরের শুল্ক কাঠামো সহজ ও যৌক্তিক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেল ও ছোলার দাম বাড়ার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়।
নিত্যপণ্যের আমদানি বাড়ায় রমজানে সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল থাকার আশা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।