ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের সঙ্গে ফোনালাপে ব্রিটিশ সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের তীব্র অসন্তোষ ও নিন্দা জানিয়েছেন। ১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত তাসনিম নিউজের বরাতে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে রাষ্ট্রীয় হুমকি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার ব্রিটিশ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় যুক্তরাজ্যের জড়িত থাকার অভিযোগও তোলেন তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আরাগচি বলেন, অঞ্চলের চরম অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন আগে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমঝোতা ও চুক্তি লঙ্ঘন করার আগ পর্যন্ত ইরান সর্বোচ্চ সদিচ্ছা নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নিয়েছিল। তিনি আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার জন্য কোনো দেশের ভূখণ্ড বা সম্পদ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া সরাসরি আগ্রাসনের শামিল।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে আরাগচি জানান, ওমানের সহযোগিতায় জলযান ও জাহাজ চলাচল সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তেহরান সংকল্পবদ্ধ। এ যৌথ প্রক্রিয়ায় তৃতীয় পক্ষকে বাধা না দেওয়ার সতর্কতাও দেন তিনি। জবাবে মিলিব্যান্ড বলেন, যুক্তরাজ্য ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নয় এবং উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক সংলাপ ও আলোচনাকেই সমাধানের পথ মনে করে।
ব্রিটিশ পদক্ষেপের নিন্দা করে হরমুজে যৌথ নৌচলাচল ব্যবস্থার কথা বলল ইরান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।