পাকিস্তানের ২৪ বছর বয়সী পদার্থবিজ্ঞানের স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী লাইবা ইজাজ ৯ অক্টোবর ইসলামাবাদে নিজের বাড়ির কাছ থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে মুহাম্মদ নোমান নামের এক ব্যক্তিকে অর্থ দিয়েছিল তাঁর পরিবার। লাইবার বাবা রানা মুহাম্মদ ইজাজ জানান, মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে তিনি জমি ও পরিবারের গয়না বিক্রি করেছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার ইঙ্গিতের কথা বলা হলেও পরিবার তা মানছে না। তাদের অভিযোগ, নোমান লাইবাকে হত্যা করেছেন। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, নোমান নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের কর্মচারী দাবি করে একটি পরিচয়পত্র দেখিয়েছিলেন। পরে হার্ভার্ডের ভর্তির প্রস্তাব, বৃত্তির চিঠি, ভিসাসংক্রান্ত কাগজ ও বোস্টনের বিমানের টিকিটসহ সব নথিই ভুয়া বলে তারা জানতে পারে।
লাইবার মৃত্যুর দুই দিন পর প্রতারণার অভিযোগে নোমান গ্রেপ্তার হন। ২০ অক্টোবর পুলিশ হেফাজতে গুলিবিদ্ধ হয়ে পরে তাঁর মৃত্যু হয়; পুলিশের দাবি, সহযোগীরা তাঁকে ছাড়িয়ে নিতে হামলা চালিয়েছিল। ২১ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি পরিবারের সঙ্গে দেখা করে নোমানের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে পাঁচ মিলিয়ন রুপির বেশি অর্থ হস্তান্তর করেন। লাইবার মৃত্যু ও নোমানের ওপর হামলার তদন্ত চলমান।
ভুয়া হার্ভার্ড ভর্তি নথির অভিযোগের পর ইসলামাবাদে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।