দীর্ঘদিনের যৌন অপরাধ তদন্তে অভিযুক্ত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষর করার পর এপস্টেইনের বিরুদ্ধে সংগৃহীত বিপুল নথি প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ইতিমধ্যে লিখিত ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও ও ই-মেইলসহ নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ শুরু করেছে।
প্রকাশিত প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন নথিতে ট্রাম্প, প্রিন্স অ্যান্ড্রু, বিল ক্লিনটন, বিল গেটস, এলন মাস্ক ও স্টিভ ব্যাননের নাম বারবার এসেছে। নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ট্রাম্পের নাম ৫,৩০০টিরও বেশি নথিতে পাওয়া গেছে, যদিও মিরর ইউএস জানায়, সরাসরি অপরাধে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ নেই। প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনের ব্যক্তিগত ই-মেইল আর্কাইভের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিচার বিভাগ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এক নারী দাবি করেছেন, কিশোর বয়সে এপস্টেইন তাকে ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং যৌন নির্যাতন করেন। ট্রাম্প সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, আর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিছু নথিতে অসত্য বা চাঞ্চল্যকর দাবি থাকতে পারে।
নতুন আইনে প্রকাশিত এপস্টেইন ফাইলে ট্রাম্পসহ প্রভাবশালীদের নাম উঠে এসেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।