সাজেক ও পানছড়ি এলাকায় জেএসএস এবং ইউপিডিএফের সংঘাত, গোলাগুলি ও সহিংসতা পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, এই সংঘাতকে কাজে লাগিয়ে পুরো পার্বত্য অঞ্চল অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা রয়েছে। গুইমারা, মানিকছড়ি, কাউখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং সরকার আপাতত ধীরে চলো নীতি অনুসরণ করছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর থেকে পানছড়ি ও সাজেক এলাকায় দুই সংগঠনের উত্তেজনা বাড়ে। জেএসএসের তৎপরতায় পানছড়ি, নারাইছড়ি ও সাজেকের কয়েকটি এলাকায় ইউপিডিএফের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়। নিরাপত্তা বিশ্লেষকের বক্তব্যে বলা হয়েছে, সংঘাত পর্যটননির্ভর পার্বত্য অর্থনীতিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ভারত-সংযোগ ও বৃহত্তর পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিবেদনে যে দাবি ও মূল্যায়ন করা হয়েছে, সেগুলো গোয়েন্দা ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপিত।
সংঘাত ও অবরোধে সাজেকের পর্যটননির্ভর অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২২ অক্টোবর উজোবাজারে সেনাবাহিনীর ওপর হামলার পর দিঘিনালা-সাজেক, বাঘাইছড়ি ও লংগদুর যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন থাকার কথা বলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের পাঁচ দাবির চারটি মেনে নেওয়া হলেও জেএসএস সদস্যদের সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি প্রশাসনের একক সিদ্ধান্ত নয়।
সাজেকে জেএসএস-ইউপিডিএফ সংঘাতে পর্যটন ব্যাহত, নিরাপত্তা জোরদার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।