নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে ভোটব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও সমালোচকেরা। প্রশাসনের নথি প্রকাশ, অ-নাগরিকের ভোট এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ এই উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ট্রাম্প এ সম্ভাবনা নাকচ করেননি। সাবেক কৌশলবিদ স্টিভ ব্যানন আগস্টের শেষ সপ্তাহের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণার পক্ষে মত দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, জরুরি অবস্থা ঘোষিত হলেও নির্বাচন পরিচালনায় প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করা যাবে না। এর আগে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জরুরি অবস্থা ব্যবহার করে সরাসরি ভোট গ্রহণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেননি। আইনজীবী আরিয়া ব্রাঞ্চের মতে, প্রশাসন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের আইনি ভিত্তি খুঁজছে। ভোটার অধিকারকর্মী সান্তিয়াগো মেয়ার সম্ভাব্য পদক্ষেপ মোকাবিলায় প্রস্তুতির কথা বলেছেন। ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা ও নাগরিক সংগঠনগুলোও ভুয়া এআই ভিডিও এবং ভোটকেন্দ্রে আইসিই সদস্য মোতায়েনের মতো পরিস্থিতি নিয়ে ভাবছে।
প্রশাসন ভোটিং ব্যবস্থা, বিদেশি হস্তক্ষেপ ও অ-নাগরিক ভোটার নিয়ে নথি প্রকাশ করেছে। হোয়াইট হাউস সম্ভাব্য জরুরি অবস্থা নিয়ে মন্তব্য করেনি, তবে ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’-এর সমর্থন জানিয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে ভোটার তালিকায় কেন্দ্রীয় প্রবেশাধিকার এবং ভোটের বিধিনিষেধ কঠোর করার কথা আছে। ব্রাঞ্চ মনে করেন, নির্বাহী ক্ষমতার সীমা ছাড়ানো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতে আইনি লড়াই করা সম্ভব।
নভেম্বরের নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জরুরি ক্ষমতা ব্যবহারের আশঙ্কা বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।