জামালপুরের বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ সীমান্তের বাসিন্দারা পুশইন ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। টর্চলাইট ও বাঁশের লাঠি হাতে যুবকেরা সীমান্তে অবস্থান নিয়ে মোবাইল ফোনে খবর আদান-প্রদান করছেন। ভারতের মেঘালয় ও আসাম সীমান্তবর্তী এলাকায় উত্তেজনা বাড়ায় দিন-রাতই সতর্ক থাকতে হচ্ছে। কোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতির খবর ছড়ালেই মুহূর্তের মধ্যে শত শত মানুষ সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন।
সীমান্ত এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজ, দিনমজুরি, মাছ ধরা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। জীবিকার পাশাপাশি সীমান্ত পাহারার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। পরিবারের নারী সদস্যরা উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ পুরুষেরা প্রায় প্রতিদিন রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন এবং দিনে খবর পেলেই সীমান্তে ছুটে যাচ্ছেন।
স্থানীয় তরুণেরা স্বেচ্ছায় তথ্য সংগ্রহ করে বিজিবিকে জানাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের এই সতর্ক অবস্থার কারণে কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং কৃষি ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে।
জামালপুর সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে নির্ঘুম পাহারায় সীমান্তবাসী
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।