ডিজিটাল যুগে যোগাযোগ, শিক্ষা, ব্যবসা ও সংবাদ আদান-প্রদানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার বাড়লেও এর সঙ্গে সাইবার ঝুঁকিও বাড়ছে বলে লেখায় সতর্ক করা হয়েছে। অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং, অনলাইন প্রতারণা, সাইবার বুলিং, ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার ও গুজব ছড়ানোর ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যবহারকারীদের সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তার জন্য শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার, দুই ধাপের যাচাইকরণ চালু, লগইন কার্যক্রম নিয়মিত পরীক্ষা এবং অপরিচিত ডিভাইস থেকে লগআউটের কথা বলা হয়েছে। ফোন নম্বর, বাসার ঠিকানা, পরিচয়পত্রের তথ্য ও নিয়মিত যাতায়াতের স্থান প্রকাশ্যে না দেওয়ার পরামর্শ রয়েছে। একই সঙ্গে প্রাইভেসি সেটিংস পর্যালোচনা, অপরিচিতদের পরিচয় যাচাই এবং সন্দেহজনক লিংক, ফাইল বা অ্যাপ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে সীমিত অনুমতি দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় অ্যাডমিন সরানো এবং কনটেন্ট ব্যবহারে অনুমতি বা লাইসেন্স নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মেসেঞ্জারে পাসওয়ার্ড, ওটিপি বা ব্যাংকিং তথ্য না পাঠাতে বলা হয়েছে। অনলাইন অপরাধের শিকার হলে প্রাসঙ্গিক প্রমাণ সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরাপদ পাসওয়ার্ড, গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ ও অনলাইন প্রতারণা এড়াতে সচেতনতার পরামর্শ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।