শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সাম্প্রতিক চীন সফরে দেশটির শিক্ষা-শিল্প সংযোগ অত্যন্ত শক্তিশালী দেখা গেছে এবং বাংলাদেশও এই মডেল অনুসরণ করতে চায়। রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, চীনের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নতমানের এবং দেশটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিচ্ছে।
বৈঠকে ২৫ থেকে ২৯ আগস্ট শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে চীন সফরের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সফরকে অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। চীন থেকে ভাষা-শিক্ষক হিসেবে আসা ব্যক্তিদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগের কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী; শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সহজ করা হয়েছে।
সফরকালে চীন–বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠায় সমঝোতা স্মারক সই হয়। পাশাপাশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ, বৃত্তিমূলক শিক্ষা গবেষণা এবং চীনা ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে তিনটি সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করা হয়। সফর-পরবর্তী বিস্তারিত তথ্য জানাতে সোমবার সংবাদ সম্মেলন হবে।
চীনের শিক্ষা-শিল্প সংযোগ মডেল অনুসরণে বাংলাদেশের আগ্রহ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।