বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সব নির্বাচনি কর্মকর্তাকে গণভোট-সংক্রান্ত কোনো প্রচারে অংশ না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষের প্রচারে যুক্ত হলে তা আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে বলে সতর্ক করেছে ইসি। কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষার স্বার্থে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে সরকারকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হবে। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার নিশ্চিত করেছেন যে, নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কোনোভাবেই গণভোটের প্রচারে যুক্ত হতে পারবেন না।
এদিকে ইসি নির্বাচনের মাঝপথে এসে আচরণবিধির কয়েকটি ধারা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সংশোধনীতে রাজনৈতিক জনসভায় তিনটি মাইক ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে এবং প্রার্থীদের ভোটার স্লিপে নিজের নাম, দলীয় পরিচয় ও প্রতীক যুক্ত করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচনের মাঝপথে আচরণবিধি সংশোধন স্বাভাবিক নয় এবং এতে মাঠ পর্যায়ে বিভ্রান্তি বাড়তে পারে।
গণভোটে প্রচার নিষিদ্ধ, নির্বাচনি আচরণবিধি সংশোধনে বিতর্ক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।