ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের ওপর তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে বলে নিবন্ধে বলা হয়েছে। বেকারত্ব, মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার কথিত অনিয়ম ও পরীক্ষা বাতিল, এবং নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলন জোরদার হয়েছে। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলোর একটি হলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে রাজধানী দিল্লিতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
নিবন্ধ অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ শুরু হয় এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনাও পরিস্থিতিকে জটিল করে। বেকার তরুণদের নিয়ে প্রধান বিচারপতির অবমাননাকর মন্তব্য নতুন ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। দুই নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে কথিত অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন বলেও নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের একটি অংশ নিজেদের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বলে পরিচয় দিচ্ছে। তাদের দাবির মধ্যে বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার জবাবদিহি, নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা, দলবদলকারী আইনপ্রণেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং রাজনৈতিক অর্থায়নে স্বচ্ছতা রয়েছে। বিভিন্ন বিরোধী দল সমর্থন বাড়ালেও কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মধ্যে কৃতিত্ব নেওয়ার প্রতিযোগিতার কথাও নিবন্ধে বলা হয়েছে।
চাকরি, পরীক্ষা ও নির্বাচনী অভিযোগে মোদি সরকারের ওপর বাড়ছে তরুণদের চাপ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।