Web Analytics

ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই অংশে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বহু মানুষ মারা যাচ্ছেন। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডরে এখনো আধুনিক ট্রমা সেন্টার গড়ে ওঠেনি। ফলে গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হয়, কিন্তু দীর্ঘ পথ ও যানজটে অনেক রোগী চিকিৎসার আগেই মারা যান।

১৯৬২ সালে নির্মিত সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও জনবল সংকটে ভুগছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতাল বাস্তবে কয়েকগুণ বেশি রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। ৩৩টি চিকিৎসক পদের মধ্যে কয়েকটি শূন্য, বিশেষ করে সার্জারি কনসালট্যান্টের পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি। বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটর না থাকায় অপারেশন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। গত এক বছরে এখানে ১,১৭৩ জন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্ঘটনার পর প্রথম এক ঘণ্টায় চিকিৎসা পেলে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব, কিন্তু ট্রমা সেন্টার না থাকায় এই অঞ্চলে মৃত্যুর হার বাড়ছে।

11 Jun 26 1NOJOR.COM

ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছে, সীতাকুণ্ডে ট্রমা সেন্টারের অভাবে মৃত্যু ঝুঁকি

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।