বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর প্রথম ভোট। ২০২৪ সালের ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে দমন-পীড়নে প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হওয়ার পর হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৬৪ জেলায় ৪২,৭৬১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য। ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার অংশ নেবেন, যার মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ প্রবাসী প্রথমবার ডাকযোগে ভোট দেবেন। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ সংক্রান্ত গণভোট, যা সাংবিধানিক ও আইনি সংস্কারের রূপরেখা নির্ধারণ করবে।
হাসিনার আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ায় এই নির্বাচন নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র-ডানপন্থী বিএনপি দশদলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে, আর জামায়াতে ইসলামী (জিব) এগারো দলীয় জোটের নেতৃত্বে রয়েছে, যার অংশ ছাত্রনেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি। বিশ্লেষকদের মতে, এই ভোট ইসলামপন্থী দলের শক্তি, তরুণ ভোটারের প্রভাব এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নির্ধারণ করবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতিপথ ও বৈদেশিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হবে।
হাসিনা পতনের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশে ২০২৬ সালের নির্বাচন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।