ইসরাইলে ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন, ইহুদি শরৎকালীন ধর্মীয় উৎসব এবং ৭ অক্টোবরের তৃতীয় বার্ষিকীকে ঘিরে ফিলিস্তিনিবিরোধী সহিংসতা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে, যা ইসরাইলি উগ্রপন্থিদের কর্মকাণ্ডের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে গাজায় ইসরাইলি হামলায় নতুন করে বেসামরিক প্রাণহানি এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ফিলিস্তিনিদের জলপাই ফসলে হামলা ও তা দখলের অভিযোগও রয়েছে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে অক্টোবরের শুরু পর্যন্ত ১১ হাজারের বেশি ইহুদি উগ্রপন্থি আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছে; তাঁদের মধ্যে নেতানিয়াহু সরকারের কয়েকজন সদস্যও ছিলেন। ফিলিস্তিনি দোকানিদের দোকানে পৌঁছানো ও দোকান খোলার ক্ষেত্রে পুলিশের বাধার কথাও বলা হয়েছে।
নির্বাচনের আগে পশ্চিম তীরের ই১ এলাকায় বসতি সম্প্রসারণের চুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে নির্বাচনি প্রচারে বিষয়টি ব্যবহারের আশঙ্কায় অ্যাটর্নি জেনারেল চুক্তি স্বাক্ষর পিছিয়েছেন। ওই সম্প্রসারণ ভবিষ্যতে ধারাবাহিক ও কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনকে আরও কঠিন করতে পারে। যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডসসহ কয়েকটি দেশ ১৯৬৭ সালে দখল করা এলাকায় উৎপাদিত পণ্য ও সেবার বিরুদ্ধে পদক্ষেপের উদ্যোগ নিয়েছে।
নির্বাচনি উত্তেজনায় ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা ও বসতি সম্প্রসারণের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।