ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালালে তারা জবাব দিতে প্রস্তুত এবং মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের সমুদ্রসীমা বা আশপাশে ঢোকার চেষ্টা করলে সেগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। শুক্রবার ফ্লোরিডার এক সমাবেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘এপিক ফিউরি’ অভিযান চালানোর কথা বিবেচনা করতে পারে। শনিবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ হুঁশিয়ারি দেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আলি আবদোল্লাহি।
আবদোল্লাহি দাবি করেন, যেকোনো জাহাজে হামলা চালানোর সক্ষমতা ইরানের আছে এবং ইরানের সামরিক শক্তি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে—যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির সঙ্গে যুদ্ধজাহাজ দূরে রাখার সিদ্ধান্তের মিল নেই। ২৮ ফেব্রুয়ারির আকস্মিক হামলা দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেছে তেহরান। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে হামলার ঝুঁকিও এখনো কাটেনি।
নতুন যুদ্ধের আশঙ্কায় শুক্রবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৭ ডলারে ওঠে, যা এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। আইআরজিসি বলেছে, বৃহস্পতিবার ভোরের আগে সাতটি তেলবাহী জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে বা মাইনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইস্তাম্বুলে আঞ্চলিক ও ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান ও হরমুজে অবাধ নৌচলাচলের আহ্বান জানানো হয়, তবে সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধি ছিলেন না।
মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের, বাড়ছে তেল ও যুদ্ধের উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।