জুলাই বিপ্লবে নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শহীদ রাসেল রানার বাবা মজিবর রহমান বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জন আসামি। মজিবর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল প্রায় ৪টায় ছেলে রাসেল ফোন করে আন্দোলনে যাওয়ার কথা জানিয়ে তাঁর কাছে দোয়া চেয়েছিল।
তিনি বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাসেলের এক বন্ধুর ফোন থেকে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গিয়ে রাসেল বুকে গুলিবিদ্ধ হয়েছে এবং তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। নওগাঁয় কারফিউ থাকায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকায় যেতে পারেননি। তাই ফ্যাক্টরির মালিক ও আত্মীয় বুলবুলসহ তাঁর চাচাতো ভাই রফিকুলকে হাসপাতালে পাঠান।
জবানবন্দি অনুযায়ী, ২২ জুলাই সকাল সাড়ে ৭টায় বুলবুল ফোন করে জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাসেল মারা গেছে। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ নওগাঁয় আনা হয় এবং জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মজিবর রহমান বলেন, পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তিনি গুলির ঘটনার তথ্য দেখেন এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিচার চান।
নারায়ণগঞ্জে রাসেল রানার মৃত্যুর ঘটনায় বাবার ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।