আদিবাসী অধিকারকর্মীরা সংবিধানের ২৩ক ধারা থেকে ‘উপজাতি’ ও ‘নৃ-গোষ্ঠী’ শব্দ বাদ দিয়ে ‘আদিবাসী’ শব্দ অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন। ৬ আগস্ট রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এএলআরডি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামসহ জাতীয় পর্যায়ের ১৭টি অধিকারভিত্তিক সংগঠনের যৌথ সেমিনারে এ আহ্বান ওঠে। ‘আদিবাসী জনগণ : জীবন, ভূমি অধিকার ও সংস্কৃতির সম্মান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা।
মূল প্রবন্ধে মানবাধিকারকর্মী ইলিরা দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন কার্যকর করা, সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন এবং অধিকার দেখভালে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অধীন একটি জাতীয় অধিদপ্তর গঠনের সুপারিশ করেন। তিনি পর্যটন সম্প্রসারণের আগে আদিবাসীদের জীবনধারা ও সংস্কৃতির সুরক্ষায় নীতিমালা, নারী স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগে স্থানীয় আদিবাসীদের অগ্রাধিকার এবং শান্তি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিও জানান।
বক্তারা সাংবিধানিক স্বীকৃতি, প্রথাগত ভূমির মালিকানার আইনি স্বীকৃতি, সংসদীয় আদিবাসীবিষয়ক ককাস এবং উন্নয়নকাজে আদিবাসী প্রতিনিধিত্ব চেয়েছেন। তারা বলেন, ১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তির অধীনে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে ২৭ হাজারের বেশি আবেদন থাকলেও বিরোধিতার কারণে কমিশনের সভা হচ্ছে না।
সংবিধানে ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি ও ভূমি অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানালেন অধিকারকর্মীরা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।