ইউরোপজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু জার্মানির অধিকাংশ বাড়িতে এখনও এসি নেই। যুক্তরাষ্ট্রে যেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ বাসায় এসি রয়েছে, ইউরোপে গড়ে এই হার মাত্র ২০ শতাংশ এবং জার্মানিতে তা ৬ শতাংশ। ২০২৬ সালের জুনে ইউরোপের তাপমাত্রা বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের তুলনায় ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল, যা বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জার্মানির আবাসন কাঠামো মূলত শীতের তাপ ধরে রাখার জন্য তৈরি, ফলে গরমে ঠান্ডা রাখার উপযোগী নয়। পুরোনো ভবনে এসি বসানো ব্যয়বহুল ও জটিল, আর ঐতিহাসিক শহরে স্থাপত্য সংরক্ষণ আইন বড় বাধা। প্রায় অর্ধেক মানুষ ভাড়া বাসায় থাকায় মালিকের অনুমতি ছাড়া এসি স্থাপন সম্ভব নয়। উচ্চ বিদ্যুৎমূল্যও বড় প্রতিবন্ধকতা, যেখানে ৩৮ শতাংশ ইউরোপীয় জানিয়েছেন তারা গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার খরচ বহন করতে পারেন না।
পরিবেশগত উদ্বেগের কারণে ইউরোপে প্রাকৃতিক বায়ু চলাচল, তাপ প্রতিরোধী নির্মাণসামগ্রী, সবুজ ছাদ, জেলা ভিত্তিক কুলিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর আধুনিক এসির মতো বিকল্প প্রযুক্তির দিকে গুরুত্ব বাড়ছে।
তীব্র ইউরোপীয় গরমেও জার্মানিতে এসি ব্যবহারে অনীহা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।