বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতি পুনর্বাসনে গোপন তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৪০৪ শিক্ষক একটি এনক্রিপ্টেড টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষাঙ্গন অস্থিতিশীল করার আশঙ্কা ও উদ্বেগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, অভিযুক্তদের পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে এবং অন্যায় করলে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ইউটিএলের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন সুষ্ঠু তদন্তের পর আইন ও পেশাগত নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবি জানালেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি না করার আহ্বান জানান। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রিন ফোরামও অভিযোগের নিন্দা করে তদন্ত চেয়েছে।
জগন্নাথ, রাজশাহী, ইসলামী, বেগম রোকেয়া এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অভিযোগ যাচাইয়ে কমিটি গঠন করেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার সদস্যের কমিটিকে ১৩ আগস্টের মধ্যে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটিকে ১২ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত প্রতিবেদন চেয়েছে; অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিচয়, কার্যক্রম ও দায় নিরূপণের কথা জানিয়েছে।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গোপন তৎপরতার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।