বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কঠোর নজরদারি ও বিজিবির ধারাবাহিক অভিযানের পরও লালমনিরহাট সীমান্তের অন্তত ২৬টি রুট দিয়ে ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ নানা মাদক দেশে ঢুকছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সীমান্তঘেঁষা ভারতের অন্তত নয়টি জেলায় মাদকের কারখানা সক্রিয় থাকার কথা বলা হয়েছে। এসব চালান সড়ক, রেল ও নৌপথে ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।
মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা মানসের হিসাবে দেশে প্রায় দেড় কোটি মাদকাসক্ত রয়েছে; তাদের মধ্যে প্রায় এক কোটি স্থায়ীভাবে মাদক সেবন করে। মোট মাদকসেবীর প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছর। সীমান্তবাসীরা অভিযোগ করেছেন, রাতে নো-ম্যান্সল্যান্ড চোরাকারবারিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় এবং মাদক সহজলভ্য হওয়ায় চুরি-ছিনতাই বেড়েছে।
১৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, স্পর্শকাতর পয়েন্টে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে এবং অভিযান চলবে। মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে প্রচারের পর হামলার শিকার শিক্ষক আরিফুল ইসলাম ২১ আগস্ট মারা যান। পুলিশ জানায়, হত্যা মামলার ১০ আসামির আটজন জামিনে, একজন কারাগারে এবং একজন পলাতক।
কঠোর নজরদারির মধ্যেও লালমনিরহাট সীমান্তে মাদক পাচারের অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।