বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে বাংলাদেশে উপসর্গহীন হেপাটাইটিস বি ও সি সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। ২৮ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি রোগ সম্পর্কে না জেনে দীর্ঘদিন থাকেন এবং জটিলতা দেখা দেওয়ার পর শনাক্ত হন। সাভারের ৪২ বছর বয়সী ছিদ্দিক হোসেন জানান, লক্ষণ না থাকলেও পরে তিনি হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত বলে জানতে পারেন; তাঁর লিভার সিরোসিসসহ বিভিন্ন জটিলতা হয়েছে।
ন্যাশনাল লিভার ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রাপ্তবয়স্কদের ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বা এক কোটির বেশি মানুষ দীর্ঘমেয়াদি হেপাটাইটিস বি ও সিতে আক্রান্ত। এসব ভাইরাসজনিত জটিলতায় বছরে প্রায় ২৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয়জনই নিজেদের সংক্রমণ সম্পর্কে জানেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হেপাটাইটিস এ ও ই সাধারণত খাদ্য ও পানিবাহিত হলেও বি ও সি দীর্ঘমেয়াদে লিভার সিরোসিস ও ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
চিকিৎসকদের মতে, অনিরাপদ রক্ত সঞ্চালন, ব্যবহৃত সুঁই-সিরিঞ্জ, দূষিত ব্লেড এবং জীবাণুমুক্ত না করা চিকিৎসা সরঞ্জামের মাধ্যমে বি ও সি ছড়াতে পারে। নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন, টিকাদান ও সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে প্রতিরোধ সম্ভব। হেপাটাইটিস সি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য এবং হেপাটাইটিস বি দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় বলে তাঁরা জানান।
উপসর্গহীন হেপাটাইটিস বি ও সি শনাক্তে সচেতনতা, পরীক্ষা ও প্রতিরোধে জোর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।