যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের পর শুরু হওয়া বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাজ্য ও কানাডাসহ কয়েকটি মার্কিন মিত্র দেশ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সীমাবদ্ধতায় সহযোগিতা করা দেশগুলোকে হুমকি দিয়েছে এবং বিরল মৃত্তিকা সরবরাহ সীমিত করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের এই পদক্ষেপ ঝুঁকিপূর্ণ হলেও এটি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের অর্থনৈতিক দুর্ভোগ বাড়িয়ে তাদের চীনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বর্তমানে চীন সফরে রয়েছেন, যা ২০১৮ সালের পর প্রথম কোনো ব্রিটিশ নেতার সফর। তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি ও হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী কর্মী জিমি লাইয়ের গ্রেপ্তারসহ সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন। সমালোচকরা অভিযোগ করেছেন, স্টারমার বেইজিংয়ের প্রতি অতিরিক্ত নমনীয়। একইভাবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনিও বেইজিং সফর করেছেন এবং চীনের সঙ্গে ‘কৌশলগত নতুন অংশীদারত্ব’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের কৌশল সফল হচ্ছে, কারণ পশ্চিমা দেশগুলো এখন অর্থনৈতিক স্বার্থে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে আগ্রহী।
বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছে যুক্তরাজ্য ও কানাডা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।