ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় পূর্বানুমানযোগ্য ও টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত এবং শক্তিশালী, স্বনির্ভর, সমতাভিত্তিক ও সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেলে অনুষ্ঠিত মহামারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও মোকাবিলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বার্তাটি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার।
ড. হায়দার বলেন, মহামারি প্রস্তুতিকে শুধু জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার ব্যয় হিসেবে না দেখে মানবনিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তিনি সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, বহুপক্ষীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও কমিউনিটির কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
বাংলাদেশের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন, রোগ নজরদারি ও পরীক্ষাগার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য জনবল শক্তিশালী করা। সরকার ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারে অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও তিনি জানান। ড. হায়দার বলেন, কোনো দেশ এককভাবে পরবর্তী মহামারি থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারবে না; তাই জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত।
ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা ও শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থার আহ্বান বাংলাদেশের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।