বাংলাদেশের পাঁচটি একীভূত ইসলামী ব্যাংকে বড় ধরনের ঋণ জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৭৫ শতাংশ ঋণই জামানত ছাড়া বিতরণ করা হয়। এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ন্যূনতম শর্ত পূরণ ছাড়াই ঋণ দেয়, ফলে ব্যাপক খেলাপি ঋণ সৃষ্টি হয় এবং ব্যাংকগুলো আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়। এই পরিস্থিতিতে সরকার ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করে। ইতোমধ্যে আমানত বিমা তহবিল থেকে গ্রাহকদের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বর শেষে পাঁচ ব্যাংকের মোট ঋণ ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যার মাত্র ২৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ জামানত দ্বারা আচ্ছাদিত। খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বা মোট ঋণের ৮৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এস আলম গ্রুপ একাই নিয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা, যার বেশিরভাগই জামানতবিহীন। ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় জামানতের অতিমূল্যায়ন দেখানো হয়েছিল বলে জানা গেছে।
অন্তর্বর্তী সরকার ৩৫ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে নতুন ব্যাংক গঠন করলেও, আগের মালিকদের ফেরার সুযোগ রেখে আইন সংশোধনের পর আমানতকারীদের মধ্যে নতুন করে আস্থাহীনতা দেখা দিয়েছে।
একীভূত ইসলামী ব্যাংকের ৭৫ শতাংশ ঋণ জামানতবিহীন, বড় খেলাপি সংকট
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।