বুধবার ঢাকাভিত্তিক কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বাইশতম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে শপথ নেওয়া সাহাবুদ্দিন প্রায় তিন বছর তিন মাস ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি পদত্যাগের গুঞ্জন শুনেছেন, তবে সরকার এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রপতি মেয়াদ শেষের আগে পদত্যাগ করতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। পত্রটি জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ কার্যকর হবে, গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের কোনো প্রক্রিয়া নেই। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নব্বই দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনার পুনরুত্থান ঘটেছে, যা এখন নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগে সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব হস্তান্তর প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।