আমার দেশকে দেওয়া জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবির নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে ৫ আগস্টের ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে তারা আগে থেকেই পরিকল্পনা ও সমন্বয় করেছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রথমে ৬ আগস্টের জন্য ঘোষিত কর্মসূচিটি পরে সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদের মাধ্যমে ৫ আগস্টে এগিয়ে আনা হয়।
তৎকালীন শিবির সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম বলেন, গণভবন ঘিরে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ আটটি স্থানের ম্যাপিং, দায়িত্ব বণ্টন এবং বিভাগভিত্তিক সমন্বয় টিম গঠন করা হয়েছিল। শাহবাগ, সায়েন্সল্যাব, উত্তরা, মিরপুর, রামপুরা ও তাঁতীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় শিবির ও জামায়াতের নির্দিষ্ট সমন্বয়ক ছিলেন বলে সূত্রের দাবি। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে বিভিন্ন স্থানে মিছিল একত্র করে কারফিউ ভাঙার পরিকল্পনা ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ জুলাইয়ের পর আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নেওয়ার প্রস্তুতি জোরদার হয় এবং ৪ আগস্টের সহিংসতার পর কর্মসূচির তারিখ এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়। নেতাদের ভাষ্য, গ্রেপ্তার এড়িয়ে মোটরসাইকেল, সিএনজি, রিকশা বা হেঁটে ঢাকায় পৌঁছানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। জামায়াতের নেতারা আহতদের চিকিৎসা, থাকার ব্যবস্থা এবং ইন্টারনেট বন্ধ ও কারফিউয়ের সময়ে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সহযোগিতার কথাও জানান।
জামায়াত-শিবির নেতাদের দাবি, ৫ আগস্টের ‘মার্চ টু ঢাকা’ আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।