বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের দ্রুত অবসান চায়, কিন্তু এতে জড়িত দেশগুলোর লক্ষ্য এক নয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র কখনো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে, কখনো শাসনব্যবস্থা পতনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। টানা ১৬ দিনের বোমা হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনী দুর্বল হলেও দেশটি আত্মসমর্পণ করেনি। ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পরোক্ষ আলোচনায় পারমাণবিক বিষয়ে কিছু অগ্রগতি হলেও ইরান তাদের মিসাইল কর্মসূচি বা আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধে রাজি হয়নি।
ইরান চায় যুদ্ধ থামুক, তবে ওয়াশিংটনের সব দাবি মেনে নয়। তারা ভবিষ্যতে হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা ও ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। অন্যদিকে ইসরাইল ইরানের মিসাইল ও সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করতে চায়, কারণ তারা এসবকে অস্তিত্বের হুমকি মনে করে। উপসাগরীয় দেশগুলো, যারা শুরুতে নিরপেক্ষ ছিল, এখন ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলায় ক্ষুব্ধ।
তেলের দাম বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালির আংশিক বন্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধবিরোধী চাপ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর সমাধানের চাপ বাড়িয়ে তুলেছে।
ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর লক্ষ্য পরস্পরবিরোধী
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।