২০২৬ সালের তামিলনাড়ু নির্বাচনে বিজেপি চারটি আসন থেকে একটিতে নেমে আসে, যা রাজ্যের দ্রাবিড়ীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারাবাহিক প্রভাবকে প্রতিফলিত করে। সামাজিক ন্যায়বিচার, তামিল পরিচয়, রাজ্যের স্বায়ত্তশাসন ও জনকল্যাণভিত্তিক রাজনীতি তামিলনাড়ুর রাজনীতিকে উত্তর ভারতের হিন্দুত্ববাদী প্রবণতা থেকে আলাদা করেছে। কে. আন্নামালাইয়ের নেতৃত্বে সামাজিক মাধ্যম ও দুর্নীতিবিরোধী প্রচারণা সত্ত্বেও বিজেপি রাজ্যজুড়ে শক্তিশালী সামাজিক জোট বা বুথভিত্তিক সংগঠন গড়ে তুলতে পারেনি।
বিজয়ের নেতৃত্বাধীন টিভিকের উত্থান বিজেপির অবস্থানকে আরও দুর্বল করে। দলটি নিজেকে দুর্নীতিমুক্ত, তরুণ নেতৃত্বনির্ভর ও তামিল পরিচয়কেন্দ্রিক বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করে। ডিএমকে ও এআইএডিএমকে উভয়ই দ্রাবিড় আন্দোলন থেকে উদ্ভূত হয়ে তামিল গর্ব, হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধিতা ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতিকে অগ্রাধিকার দেয়। তামিল ভোটাররা ধর্মকে রাজনীতি থেকে আলাদা করে দেখেন, যা বিজেপির জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপির টেকসই অগ্রগতি নির্ভর করবে স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলা, তামিল সাংস্কৃতিক পরিচয় গ্রহণ এবং ধর্মীয় মেরুকরণের ওপর নির্ভরতা কমানোর ওপর।
দ্রাবিড়ীয় পরিচয় ও জনকল্যাণ রাজনীতিতে তামিলনাড়ুতে বিজেপির বড় ধাক্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।