Web Analytics

ঋণ, খেলাপি ও দুর্বল আর্থিক ব্যবস্থাপনার কারণে বৈশ্বিক জাহাজ নির্মাণের চলমান জোয়ার থেকে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশের শিল্প, নিবন্ধটিতে এমন মূল্যায়ন করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে শিপইয়ার্ডগুলোর কাছে ২০ কোটি ৩২ লাখ কমপেনসেটেড গ্রস টন ক্ষমতার জাহাজের অর্ডার ছিল, যা মে মাসের ২১ কোটি ৪ লাখ সিজিটির রেকর্ডের কাছাকাছি। এ অর্ডারের ৬৪ শতাংশ চীনের, ১৯ শতাংশ দক্ষিণ কোরিয়ার এবং ৬ শতাংশ জাপানের দখলে ছিল।

নিবন্ধে বলা হয়েছে, শিপিং কোম্পানির নগদ অর্থ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় দীর্ঘতর সমুদ্রপথ, পরিবেশগত বিধিনিষেধ এবং পুরোনো জাহাজের বহর বদলের প্রয়োজন নতুন জাহাজের চাহিদা বাড়াচ্ছে। বাংলাদেশ আগে রপ্তানির সক্ষমতা দেখিয়েছিল। ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে পণ্যবাহী জাহাজ রপ্তানি করে, আর ওয়েস্টার্ন মেরিন প্রায় ১৫০টি জাহাজ নির্মাণ করে ১২ দেশে ৩৩টি জাহাজ রপ্তানি করেছিল। তবে ২০২১, ২০২২ ও ২০২৪ অর্থবছরে জাহাজ রপ্তানি থেকে বাংলাদেশের কোনো আয় ছিল না।

২০২৪ সালের শেষ দিকে জাহাজ নির্মাণ ও ভাঙা খাতে ঋণ ছিল ২০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা, যার ৮ হাজার ৩১ কোটি টাকা খেলাপি। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সমস্যাগ্রস্ত ইয়ার্ডের জন্য দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১০ বছরের ঋণ পুনর্গঠনের সুযোগ দেয়। নিবন্ধে নিরপেক্ষ যাচাই, দীর্ঘমেয়াদি শিল্পঋণ, রপ্তানি গ্যারান্টি, শক্ত নজরদারি ও কঠোর ঋণ আদায়ের দাবি জানানো হয়েছে।

27 Oct 26 1NOJOR.COM

ঋণ ও দুর্বল তদারকিতে বৈশ্বিক জাহাজ নির্মাণের জোয়ার থেকে পিছিয়ে বাংলাদেশ

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।