রাজধানীর গেণ্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ও তাঁর সহযোগীদের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার, ডিবি শফিকুল ইসলাম রোববার জানান, ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনারকে এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মিন্টু রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে দুপুরের সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্তে আইনের ব্যত্যয়ের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার বিকেলে ইশরাক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অভিযানের একটি ভিডিও প্রকাশ করার পর অস্ত্র হাতে অভিযান পরিচালনা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
ভিডিওতে ইশরাকের নিয়োগ দেওয়া দুই দেহরক্ষী তোফাজ্জল হোসেন ও লাভলুকে দেখা যায়; তাঁদের কাছেও অস্ত্র ছিল। একজন সরকারি দেহরক্ষীকেও অস্ত্র তাক করতে দেখা গেছে। আইনজ্ঞরা বলেছেন, মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি পুলিশি অভিযান পরিচালনা বা আইন নিজের হাতে নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা নেই। ২০১৬ সালের আগ্নেয়াস্ত্র নীতিমালায় বৈধ অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো, প্রদর্শনীবাজি বা হয়রানি নিষিদ্ধ বলা হয়েছে।
ইশরাক হোসেনের সশস্ত্র মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে পুলিশের তদন্তের নির্দেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।