ইরানজুড়ে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে আটক ব্যক্তিদের শাস্তির প্রক্রিয়া শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ১৯ জানুয়ারি বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই জানান, বিচার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং যিনি দয়ার যোগ্য নন, তাকে ছাড় দেওয়া ন্যায়ের পরিপন্থি হবে। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ সীমিত রাখা হয়েছে, যদিও আগের দিন আংশিকভাবে তা চালু করা হয়েছিল।
এজেই প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ও সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করে যৌথ বিবৃতিতে জানান, তথাকথিত ‘খুনি ও সন্ত্রাসী উসকানিদাতাদের’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বিদেশি শক্তির প্ররোচনায় ভুলবশত অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীরা ‘ইসলামি সহানুভূতি’ পেতে পারেন। ইরানি কর্তৃপক্ষ আবারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে বিক্ষোভে অর্থ ও অস্ত্রসহায়তার অভিযোগ করেছে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হলেও তা রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে নয়, বরং বিদেশি এজেন্টদের কারণে।
গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের ডাউনটাউন এলাকায় দোকানদারদের আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি মানুষ গ্রেপ্তার বা আটক হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকার প্রতিদিনই নতুন গ্রেপ্তারের তথ্য প্রকাশ করছে।
ইরানে বিক্ষোভে আটক ব্যক্তিদের শাস্তি শুরু, ইন্টারনেট সীমিত রাখা হয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।