২০২৬ সালের ১৭ জুলাই প্রকাশিত এক বিশ্লেষণধর্মী লেখায় বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য তুলে ধরে বিভাজনমূলক শক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। লেখায় ঢাকা, লালমনিরহাট, মৌলভীবাজার, টাঙ্গাইল, নারায়ণগঞ্জ ও রংপুরের উদাহরণ দিয়ে দেখানো হয়েছে, কীভাবে মসজিদ ও মন্দির শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে একই প্রাঙ্গণে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করছে। লেখক উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোনো নীতিগত সিদ্ধান্তের ফল নয়, বরং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সহাবস্থানের ফল।
লেখায় বলা হয়েছে, দেশের প্রায় ৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য সহায়তা পায়—যেমন জাতীয় ছুটি, ঐচ্ছিক ধর্মীয় ছুটি এবং মন্দির ও ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দ। তবুও কিছু গোষ্ঠী সংখ্যালঘু অধিকারের সংকটের দাবি তোলে, যা কখনো কখনো রাজনৈতিক বা বিদেশি স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করেন, এসব অভিযোগ প্রকৃত উদ্বেগের প্রতিফলন।
লেখার উপসংহারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শক্তি তার বহুত্ববাদ ও সহনশীলতায় নিহিত। তাই রাষ্ট্র ও নাগরিক উভয়কেই সাম্প্রদায়িক উসকানি ও বিভাজনমূলক রাজনীতির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।
বিভাজনমূলক চ্যালেঞ্জের মুখে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।