প্রতিষ্ঠার সাত দশকের বেশি সময় পরও দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসই মূলত ইকুইটিনির্ভর রয়ে গেছে। মিউচুয়াল ফান্ড, করপোরেট বন্ড ও ট্রেজারি বন্ড তালিকাভুক্ত থাকলেও বন্ডে লেনদেন প্রায় নেই বললেই চলে। ডিএসইতে ইকুইটির বাজার মূলধন ৩ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা এবং বন্ডের ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা হলেও মোট লেনদেনের ৯৯ শতাংশের বেশি ইকুইটিতে, বন্ডে এক শতাংশেরও কম।
গত ৪ অক্টোবর বিশ্ব বিনিয়োগ দিবস উপলক্ষে বিএসইসির অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এক বছরের মধ্যে শেয়ারবাজারের পরিস্থিতি বদলাবে বলে তিনি আশাবাদী। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে ডলার, পান্ডা, সামুরাই ও স্থানীয় মুদ্রার বন্ড, বাংলাদেশকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ইকুইটি ফান্ড, সিকিউরাইজেশন এবং নতুন পণ্যের ব্যবহারের কথা বলেন তিনি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ডিএসইর অবকাঠামো, কারিগরি সক্ষমতা, জনবল দক্ষতা ও সামগ্রিক ইকোসিস্টেমে বড় পরিবর্তন প্রয়োজন।
ডিএসই ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে ডেরিভেটিভ মার্কেট চালুর পরিকল্পনা করছে। তবে ইটিএফ চালুর উদ্যোগ সিসিবিএল গঠনের পরও জটিলতায় আটকে আছে। বিশ্লেষকদের মতে, বন্ডগুলো অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে থাকা, বিনিয়োগকারীদের জ্ঞানের ঘাটতি এবং ফিক্সড ইনকাম মিউচুয়াল ফান্ডের অপ্রতুলতা বন্ড লেনদেনের প্রধান বাধা।
বাজার মূলধন কাছাকাছি হলেও ডিএসইতে বন্ড লেনদেন এক শতাংশেরও কম
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।