৩০ জুলাই ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব ইরাকে ইরান-সমর্থিত পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একাধিক ঘাঁটিতে যৌথ হামলা চালিয়েছে। পিএমএফের মতে, বাগদাদ, নিনেভে, বসরা, কিরকুক, কারবালা, দিয়ালা ও ওয়াসিতসহ কয়েকটি প্রদেশে হামলায় অন্তত ২০ সদস্য নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছেন; মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। প্রায় একই সময়ে ইরান জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ইরাকের ভূখণ্ড থেকে চালানো সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার জবাবেই অভিযানটি হয়েছে। ইরাকের প্রেসিডেন্ট নিজার আমেদি হামলাকে অগ্রহণযোগ্য ও সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও হামলার নিন্দা করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার দায় দিয়েছে। সেন্টকম ও জর্ডান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পাঁচটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে চড়া মূল্য দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন এবং ইরাকের হামলা ইরাকি সরকারের সমন্বয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন। আইআরজিসি হরমুজ প্রণালিতে তিনটি ট্যাংকারে হামলার দাবিও করেছে। ইরান ওমানের হরমুজ প্রণালি যৌথ পরিচালনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। পাকিস্তান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও উপসাগরীয় দেশগুলো উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে।
ইরাকে যৌথ হামলা ও জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।